-স্যার আসতে পারি।
--হ্যা,আকিব সাহেব,আসুন।
--স্যার একটা কথা ছিল।
--জী বলেন।
--স্যার আজকে হাফ বেলা ছুটি দরকার ছিল।একটু কাজ
ছিল বাসায়।
--আকিব সাহেব,আপনি তো জানেন কাল একটা নতুন
প্রজেক্ট এর কাজ শুরু হবে।আজকে ছুটি নিলে কি নতুন
প্রজেক্ট এর ফাইলটা রেডি করতে পারবেন।
--স্যার,আমি চাইছিলাম কি কাল সকালে একটু
তাড়াতাড়ি করে অফিসে এসে ফাইলটা রেডি করতে।
--না আকিব সাহেব,আমি অন্য সব অফিসের বসের মত নয়
যে আজকের কাজ কালকে করব।আজকের কাজ আজকেই
হবে।।সরি আকিব সাহেব অন্য একদিন ছুটি নিয়েন।
--ওকে স্যার,ধন্যবাদ।(এই বলে নিজের রুমে চলে আসলাম)
.
আমি আকিব আর এতক্ষন কথা বলছিলাম আমার অফিসের
প্রান প্রিয় বস হারুন সাহেব এর সাথে কথা হচ্ছিল ছুটি
নিয়ে।
.
আজকে আমার একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরার কথা
ছিল।কারন আমার বউ নুসরাতের জন্য।আমাদের বিয়ে
হয়েছে প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে।আমাদের বিয়েটা ছিল
এরেঞ্জ মেরিজ।কিন্তু আমাদের ভালবাসার কমতি ছিল
না।কত দিন আগে যে আমার প্রিয়তমা
বউ নুসরাত কে নিয়ে বাহিরে ঘুরতে গিয়েছিলাম তা
আমার মনে নেই।বউটা আমার একা একা সারাদিন বাসায়
থাকে আর সংসারের কাজ করে।নিজে থেকে কোনদিন
বলে নি যে
তাকে বাহিরে নিয়ে ঘুরতে যেতে।কারন আমার ইনকাম
খুব বেশি ছিল না।তাই সে সব সময় একটু হিসাব করেই
চলে।
আজ আমি নিজে থেকেই বলছিলাম তাকে বিকেলের
দিকে একটু সাজু গুজু করে রেডি থাকতে।তাকে নিয়ে
একটু বাহিরে ঘুরাঘুরি করে তার প্রিয় ফুসকা খাওয়াবো।
আমার এই কথাটা শুনে নুসরাত অনেক খুশি হয়েছিল।কিন্তু
এই আলগা
বসের জন্য আর হল না।
.
রাতে বাসায় ফেরার সময় রিক্সা পেলাম না।আস্তে
আস্তে হেটে হেটে বাসার দিকে যাচ্ছি।আর ভাবছি আজ
যে কপালে কি আছে তা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর
কেউ জানে না।তাই ভাবতে ভাবতে আমার প্রিয় একটা
গোল্ডলিফ সিগারেট নিয়ে টানতে টানতে বাসার
সামনে আসলাম।
.
কলিংবেল টিপতে লাগলাম।হাতে গুনা ১৫ মিনিট পরে
দরজাটা খুলা হল।
খুলেই কোন কথা না বলে নিজের রুমে চলে গেল আমার
মহারানীটা।আমি জানি এখন কোন পরমাণু বোমা অর
পেটে দিলেও কথা বলবে না।কারন সে রাগ করলে অনেক
সময় কথা বলে না।আর আজ তো রেগে ফায়ার।আজ তো
কথা বলার প্রশ্নই আসে না।
.
--জানু কি রাগ করছ।
--
--কথা বলে না কেন পাগলিটা।
--
--ক্ষুদায় পেট জ্বলে যাচ্ছে।যাও খাবার রেডি করো।
--
--প্লিজ রাগ করো না।তুমি তো জানই আমাদের অফিসের
বস হারুন সাহেব অনেক কড়া।ছুটি দেয় নি আরকি।
--
--কথা বলবে না ওকে আমি চলে যাচ্ছি বাসায় আজ থাকব
না।আমার অফিসের কলিগ অনামিকার বাসায় দাওয়াত
আছে।
.
এই বলে বাসা থাকে বের হতে যাব ঠিক তখনি পিছন
থেকে
আমার শার্টের কলার ধরে টেনে বুকে কিল ঘুসি দেয়া শুরু
করল।ঠিক এই মুহূর্তে নুসরাত মাথা ঘুরে ফ্লোরে পড়ে
যাচ্ছিল।আমি কোলে নিয়ে বিছানায় শুয়িয়ে দিলাম।
তারপর তার একজন ডাক্তার বান্ধবীকে ফোন দিয়ে
তাড়াতাড়ি বাসায় আসতে বললাম।
.
নুসরাতের বান্ধবী এসে তাকে ভাল ভাবে দেখল।তারপর
দেখলাম হাসি মুখে আমার দিকে এগিয়ে আসল।
.
--আকিব ভাই সুখবর আছে মিষ্টি নিয়ে আসেন।
--আরে আমার বউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে আর তুমি বলছ
সুখবর আছে মিষ্টি নিয়ে আসতে।
--আকিব ভাই আপনি বোকা নাকি।আপনি বাবা হতে
চলেছেন।
--আরে কি বল সত্যি নাকি।
--হ্যা সত্যি আকিব ভাই।মিষ্টি যেন পাই মনে থাকে যেন।
(এই বলে নুসরাতের বান্ধবী চলে গেল)
.
একটু পরে নুসরাতের জ্ঞান ফিরল। আমি তার পাশেই বসে
মাথায় হাত বুলাচ্ছিলাম।কি যে মায়াবি দুটো চোখ অই
চোখে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
.
--কি হল খুব ভয় পেয়ে গেছিলে তুমি।
--হুম।ভয় পাব না আমার চোখের সামনে তুমি মাথা ঘুরে
পড়ে যাচ্ছিলে।যদি কিছু হয়ে যেত।
--আরে কিচ্ছু হবে না গাধা।
--আচ্ছা তুমি আমাকে আগে এই খুশির খবরটি দাও নি
কেন।
--সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম তো তাই।
--জানো আজকে আমি অনেক খুশি।আমার অনেক দিনের
ইচ্ছা আমাদের একটা ছোট্ট বাবু হবে আর আমার
বাসাটায়
সে তার ছোট্টছোট্ট পায়ে হেটে বেড়াবে।খেলবে
আমার সাথে,আমাকে চুমু দিবে।আর সেই ইচ্ছাটা পুরন
হতে চলল।আজ তুমি আমার কাছে যা চাইবে তাই
পাবে,বলো কি গিফট চাও।
--আচ্ছা গিফট পরে।এখন একটা চুমু দাও আর জরিয়ে ধর।
.
আমি আমার মহারাণী নুসরাত কে জরিয়ে ধরে কপালে
আলতো স্পর্শে একটি চুমু একে দিলাম।।।।
--হ্যা,আকিব সাহেব,আসুন।
--স্যার একটা কথা ছিল।
--জী বলেন।
--স্যার আজকে হাফ বেলা ছুটি দরকার ছিল।একটু কাজ
ছিল বাসায়।
--আকিব সাহেব,আপনি তো জানেন কাল একটা নতুন
প্রজেক্ট এর কাজ শুরু হবে।আজকে ছুটি নিলে কি নতুন
প্রজেক্ট এর ফাইলটা রেডি করতে পারবেন।
--স্যার,আমি চাইছিলাম কি কাল সকালে একটু
তাড়াতাড়ি করে অফিসে এসে ফাইলটা রেডি করতে।
--না আকিব সাহেব,আমি অন্য সব অফিসের বসের মত নয়
যে আজকের কাজ কালকে করব।আজকের কাজ আজকেই
হবে।।সরি আকিব সাহেব অন্য একদিন ছুটি নিয়েন।
--ওকে স্যার,ধন্যবাদ।(এই বলে নিজের রুমে চলে আসলাম)
.
আমি আকিব আর এতক্ষন কথা বলছিলাম আমার অফিসের
প্রান প্রিয় বস হারুন সাহেব এর সাথে কথা হচ্ছিল ছুটি
নিয়ে।
.
আজকে আমার একটু তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরার কথা
ছিল।কারন আমার বউ নুসরাতের জন্য।আমাদের বিয়ে
হয়েছে প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে।আমাদের বিয়েটা ছিল
এরেঞ্জ মেরিজ।কিন্তু আমাদের ভালবাসার কমতি ছিল
না।কত দিন আগে যে আমার প্রিয়তমা
বউ নুসরাত কে নিয়ে বাহিরে ঘুরতে গিয়েছিলাম তা
আমার মনে নেই।বউটা আমার একা একা সারাদিন বাসায়
থাকে আর সংসারের কাজ করে।নিজে থেকে কোনদিন
বলে নি যে
তাকে বাহিরে নিয়ে ঘুরতে যেতে।কারন আমার ইনকাম
খুব বেশি ছিল না।তাই সে সব সময় একটু হিসাব করেই
চলে।
আজ আমি নিজে থেকেই বলছিলাম তাকে বিকেলের
দিকে একটু সাজু গুজু করে রেডি থাকতে।তাকে নিয়ে
একটু বাহিরে ঘুরাঘুরি করে তার প্রিয় ফুসকা খাওয়াবো।
আমার এই কথাটা শুনে নুসরাত অনেক খুশি হয়েছিল।কিন্তু
এই আলগা
বসের জন্য আর হল না।
.
রাতে বাসায় ফেরার সময় রিক্সা পেলাম না।আস্তে
আস্তে হেটে হেটে বাসার দিকে যাচ্ছি।আর ভাবছি আজ
যে কপালে কি আছে তা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর
কেউ জানে না।তাই ভাবতে ভাবতে আমার প্রিয় একটা
গোল্ডলিফ সিগারেট নিয়ে টানতে টানতে বাসার
সামনে আসলাম।
.
কলিংবেল টিপতে লাগলাম।হাতে গুনা ১৫ মিনিট পরে
দরজাটা খুলা হল।
খুলেই কোন কথা না বলে নিজের রুমে চলে গেল আমার
মহারানীটা।আমি জানি এখন কোন পরমাণু বোমা অর
পেটে দিলেও কথা বলবে না।কারন সে রাগ করলে অনেক
সময় কথা বলে না।আর আজ তো রেগে ফায়ার।আজ তো
কথা বলার প্রশ্নই আসে না।
.
--জানু কি রাগ করছ।
--
--কথা বলে না কেন পাগলিটা।
--
--ক্ষুদায় পেট জ্বলে যাচ্ছে।যাও খাবার রেডি করো।
--
--প্লিজ রাগ করো না।তুমি তো জানই আমাদের অফিসের
বস হারুন সাহেব অনেক কড়া।ছুটি দেয় নি আরকি।
--
--কথা বলবে না ওকে আমি চলে যাচ্ছি বাসায় আজ থাকব
না।আমার অফিসের কলিগ অনামিকার বাসায় দাওয়াত
আছে।
.
এই বলে বাসা থাকে বের হতে যাব ঠিক তখনি পিছন
থেকে
আমার শার্টের কলার ধরে টেনে বুকে কিল ঘুসি দেয়া শুরু
করল।ঠিক এই মুহূর্তে নুসরাত মাথা ঘুরে ফ্লোরে পড়ে
যাচ্ছিল।আমি কোলে নিয়ে বিছানায় শুয়িয়ে দিলাম।
তারপর তার একজন ডাক্তার বান্ধবীকে ফোন দিয়ে
তাড়াতাড়ি বাসায় আসতে বললাম।
.
নুসরাতের বান্ধবী এসে তাকে ভাল ভাবে দেখল।তারপর
দেখলাম হাসি মুখে আমার দিকে এগিয়ে আসল।
.
--আকিব ভাই সুখবর আছে মিষ্টি নিয়ে আসেন।
--আরে আমার বউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে আর তুমি বলছ
সুখবর আছে মিষ্টি নিয়ে আসতে।
--আকিব ভাই আপনি বোকা নাকি।আপনি বাবা হতে
চলেছেন।
--আরে কি বল সত্যি নাকি।
--হ্যা সত্যি আকিব ভাই।মিষ্টি যেন পাই মনে থাকে যেন।
(এই বলে নুসরাতের বান্ধবী চলে গেল)
.
একটু পরে নুসরাতের জ্ঞান ফিরল। আমি তার পাশেই বসে
মাথায় হাত বুলাচ্ছিলাম।কি যে মায়াবি দুটো চোখ অই
চোখে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
.
--কি হল খুব ভয় পেয়ে গেছিলে তুমি।
--হুম।ভয় পাব না আমার চোখের সামনে তুমি মাথা ঘুরে
পড়ে যাচ্ছিলে।যদি কিছু হয়ে যেত।
--আরে কিচ্ছু হবে না গাধা।
--আচ্ছা তুমি আমাকে আগে এই খুশির খবরটি দাও নি
কেন।
--সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম তো তাই।
--জানো আজকে আমি অনেক খুশি।আমার অনেক দিনের
ইচ্ছা আমাদের একটা ছোট্ট বাবু হবে আর আমার
বাসাটায়
সে তার ছোট্টছোট্ট পায়ে হেটে বেড়াবে।খেলবে
আমার সাথে,আমাকে চুমু দিবে।আর সেই ইচ্ছাটা পুরন
হতে চলল।আজ তুমি আমার কাছে যা চাইবে তাই
পাবে,বলো কি গিফট চাও।
--আচ্ছা গিফট পরে।এখন একটা চুমু দাও আর জরিয়ে ধর।
.
আমি আমার মহারাণী নুসরাত কে জরিয়ে ধরে কপালে
আলতো স্পর্শে একটি চুমু একে দিলাম।।।।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
HELLO! VISITOR